গুগেনহাইম মিউজিয়াম

শেয়ার করুন

ইউরোপের দেশ স্পেন ফুটবল প্রেমিদের কাছে পরিচিত বার্সেলোনা – রিয়াল মাদ্রিদের দেশ হিসেবে। যদিওবা ফুটবলই স্পেনের পর্যটন শিল্পের অন্যতম প্রভাবক, তবে শুধুমাত্র ঘুরতে আসা পর্যটকও কম নয়। এসব পর্যটকদের কাছে স্পেন দেশটি আকর্ষণীয় এর সমৃদ্ধ শিল্প সংস্কৃতি এবং ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্থাপত্যের কারনে। বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি অ্যান্টনি গাউদির বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপত্য এবং পশ্চিমা ইউরোপের ইসলামী নিদর্শনসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পর্যটকদের প্রতিনিয়ত আকর্ষণ করে থাকে।

গুগেনহেইম মিউজিয়াম (Guggenheim Museum) স্পেনের একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। এর অবস্থান অ্যাটলান্টিক মহাসাগরের তীরে পাহাড়বেষ্টিত উত্তর স্পেনের বিলবাও শহরে৷ গত শতাব্দীর ৯০-এর দশকে শহরটি ইউরোপের একটি পুরনো ও দুর্বল শহরে পরিণত হলে স্থানীয় অঞ্চলের পৌর সরকার শহর উন্নয়নের জন্য পর্যটন শিল্প উন্নয়নের পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। আর সেই পরিকল্পনাতেই ইউরোপের শিল্পরসিকদের আকর্ষণ করার জন্য ১৯৯৭ সালে নেরভিয় নদীর তীরে গুগেনহেইম মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।

গুগেনহেইম মিউজিয়ামের স্থাপত্য ডিজাইন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। এর আকার, কাঠামো ও এটি তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল অসাধারণ বলে বিশ্বের অন্যতম সুন্দর মিউজিয়াম হিসেবে আখ্যায়িত। এর ডিজাইনার হলেন মার্কিন স্থাপত্য শিল্পী ফ্রান্ক গেরি (Frank Gehry)। প্রতি বছর দশ লক্ষাধিক পর্যটক এই গুগেনহাইম মিউজিয়াম দেখতে বিলবাও ভ্রমণে আসেন।  ফলে বাস্ক প্রদেশের পর্যটন আয় আগের চেয়ে প্রায় ৫ গুণ বেড়েছে। এই মিউজিয়াম শহরের অর্থনৈতিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছে।

ইয়ুথ ভিলেজ/নিজস্ব প্রতিবেদক/সিফাত নার্গিস

আলোচনা করুন

avatar
  Subscribe  
Notify of